Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা।
সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি (CITIZEN'S CHARTER)
সিটিজেন'স্ চার্টার

বিস্তারিতভাবে বোর্ডের বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম ও সর্বসাধারণের জন্য সেবা প্রদানের প্রকৃতি


কলেজ শাখা

১.    কলেজের পাঠদানের অনুমতিঃ

আবেদন প্রাপ্তির ৪ (চার) মাসের মধ্যে    শিক্ষাবর্ষ শুরুর কমপক্ষে ৪ (চার) মাস পূর্বে ৭,০০০/- (সাত হাজার) টাকা ফি দিয়ে একাদশ শ্রেণীর পাঠদানের লক্ষ্যে বোর্ডে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রামাণ্য কাগজ-পত্র পাওয়ার পর প্রস্তাবিত কলেজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের সম্মতির পর প্রাথমিক অনুমতি প্রদান করা হয়।     প্রস্তাবিত কলেজটির সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি সরাসরি বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের সাথে যোগাযোগ করবেন।

২.    স্বীকৃতিঃ    


    আবেদন প্রাপ্তির ৩ (তিন) মাসের মধ্যে    স্বীকৃতি প্রাপ্তির লক্ষ্যে কমপক্ষে ১ (এক) বার পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পর ৭,০০০/- (সাত হাজার) টাকা ফি দিয়ে বোর্ডে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রামাণ্য কাগজ-পত্র পাওয়ার পর কলেজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের সম্মতির পর প্রথম অস্থায়ী স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ সরাসরি বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের সাথে যোগাযোগ করবেন।


৩.    ছাত্র/ছাত্রীদের রেজিষ্ট্রেশনঃ
    মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিত সময় অনুসারে। (কম/বেশি ৬০ দিন)।    ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যথাসময়ে কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়।     চলমান প্রক্রিয়া। তবে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ সরাসরি বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের সাথে যোগাযোগ করবেন।


৪.    নির্বাহী কমিটি/এডহক কমিটি/গভর্নিং বডি   
    আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে    সভাপতির প্রতিস্বাক্ষরিত কলেজের অধ্যক্ষ কমিটির প্রস্তাব সহ চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন পেশ করবেন।     আবেদন প্রাপ্তির পর এ বিষয়ে  বোর্ডের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে ডাক যোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।

 

৫.    ছাড়পত্র   

    আবেদন পত্র প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে    বোর্ডের নির্ধারিত আবেদন ফরমে দুই কলেজের অধ্যক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডে আবেদন করতে হয়।     আবেদন প্রাপ্তির পর এ বিষয়ে  বোর্ডের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে ডাক যোগে/হাতে হাতে পত্র প্রেরণ করা হয়।


৬.    স্কীকৃতি নবায়ন 

 

     আবেদন পত্র প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে  সভাপতির প্রতিস্বাক্ষরসহ কলেজ প্যাডে কলেজ অধ্যক্ষের আবেদনের সঙ্গে ৭০০০/- টাকার ডি. ডি. (প্রতি ৩-৫ বছরের জন্য) এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সহ হিসাব আয় শাখায় জমা করতে হবে।      আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর এ বিষয়ে কলেজ পরিদর্শক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ডাকযোগে প্রেরণ করবেন।


৭.    ভর্তি বাতিল    

   আবেদন পত্র প্রাপ্তির ৭ (সাত) কর্মদিবসের  মধ্যে জরুরী ভাবে এবং ১৫ (পনের) কর্মদিবসের মধ্যে। (সাধারণভাবে)    বোর্ডের নির্ধারিত আবেদন ফরমে কলেজের অধ্যক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডে আবেদন করতে হয়।     আবেদন প্রাপ্তির পর এ বিষয়ে  বোর্ডের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে ডাক যোগে/হাতে হাতে পত্র প্রেরণ করা হয়।


৮.    দ্বি-নকল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড   
    আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) কর্মদিবসের  মধ্যে।    বোর্ডের নির্ধারিত আবেদন ফরমে কলেজের অধ্যক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডে আবেদন করতে হয়।     সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে এতদ্বিষয়ে বোর্ডের রশিদসহ কলেজ শাখার ০৭ (সাত) নম্বর কাউন্টারে যোগাযোগ করতে হবে।

৯.    সমতুল্যতা নির্ধারণ    
    সাধারণত: আবেদনপত্র প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) কর্মদিবসের  মধ্যে। তবে মিটিং এর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হলে ২/৩ মাসের মধ্যে।    বিদেশী সংস্থা/বোর্ড থেকে ‘ও’ লেভেল বা ‘এ’ লেভেল পাশকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের এস.এস.সি বা এইচ.এস.সি পাশের সমতুল্য সার্টিফিকেট প্রাপ্তির লক্ষ্যে বোর্ডের নির্ধারিত আবেদন ফরমে বোর্ডে আবেদন করতে হয়।     সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে এতদ্বিষয়ে বোর্ডের রশিদসহ কলেজ শাখার ০৭ (সাত) নম্বর কাউন্টারে যোগাযোগ করতে হবে।


১০.    শাখা ও বিষয় খোলা  
    আবেদন প্রাপ্তির ৩ (তিন) মাসের মধ্যে।    শিক্ষাবর্ষ শুরুর কমপক্ষে ৩ (তিন)  মাস পূর্বে শাখা খোলার ফি বাবদ ৮০০/- টাকা এবং বিষয় খোলার ফি বাবদ ৩০০/- টাকা ফি দিয়ে বোর্ডে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রামাণ্য কাগজ-পত্র পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কলেজটিতে শাখা কিংবা বিষয় খোলার লক্ষ্যে কলেজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। অত:পর পরিদর্শন প্রতিবেদনটি পরবর্তী নির্দেশনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের সম্মতির পর শাখা কিংবা বিষয় খোলার অনুমতি প্রদান করা হয়।    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সম্মতি পত্র পাওয়ার পর এ বিষয়ে  বোর্ডের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে ডাক যোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।


১১.    রেজিষ্ট্রেশন সংশোধন    
     আবেদন প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে    বোর্ডের নাম সংশোধনী সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মূল রেজি: কার্ডে নাম, পিতার নাম সংশোধন করা হয়।    এ বিষয়ে কলেজ শাখার ০৭ (সাত) নম্বর কাউন্টারে যোগাযোগ করতে হবে।

১২.    বিবিধ (কলেজের বিভিন্ন সমস্যা, তদন্ত ইত্যাদি)   
    -    শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কিংবা বিভিন্ন কলেজ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কলেজে তদন্ত করা হয় এবং কলেজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়।    কলেজ পরিদর্শক-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

 

•    কলেজ শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে সরাসরি উপ-কলেজ পরিদর্শক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। পরবর্তীতে কলেজ পরিদর্শক এবং প্রয়োজনবোধে সচিব ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যাবে।
•    টেলিফোন নং  ৮৬২৫৭৪১, ৮৬২৫৭৩৪।

 

বিদ্যালয় শাখা

 

০১    নিম্ন মাধ্যমিক/ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের অনুমতি 

   আবেদনপ্রাপ্তির ৪ (চার) মাসের মধ্যে    শিক্ষাবর্ষ শুরুর কমপক্ষে ৬ (ছয়) মাস পূর্বে অনুমতি ফি (নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ৫,০০০/- টাকা এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ৭,০০০/- টাকা) জমা দিয়ে বোর্ডে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রামাণ্য কাগজপত্র পাওয়ার পর প্রস্তাবিত বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।
সন্তোষজনক পরিদর্শন প্রতিবেদনের আলোকে এবং প্রাপ্যতা থাকা সাপেক্ষে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। প্রাপ্যতা না থাকলে এবং মৌলিক শর্তাবলীর কোনটি অপূর্ণ থাকলে অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মতি প্রয়োজন।    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।


০২    নিম্ন মাধ্যমিক একাডেমিক স্বীকৃতি

    আবেদনপ্রাপ্তির ৩ (তিন) মাসের মধ্যে    প্রাথমিক পাঠদানের মেয়াদকাল সন্তোষজনকভাবে শেষ হলে ৫,০০০/- টাকা ফি জমা দিয়ে বোর্ডে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রামাণ্য কাগজপত্র পাওয়ার পর প্রস্তাবিত বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। সন্তোষজনক পরিদর্শন প্রতিবেদনের আলোকে এবং প্রাপ্যতা থাকা সাপেক্ষে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। এক্ষেত্রে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়।    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।


০৩    মাধ্যমিক একাডেমিক স্বীকৃতি

    আবেদনপ্রাপ্তির ৩ (তিন) মাসের মধ্যে    কমপক্ষে ১ (এক) বার পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পর ৭,০০০/- টাকা ফি জমা দিয়ে বোর্ডে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রামাণ্য কাগজপত্র পাওয়ার পর বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। সন্তোষজনক পরিদর্শন প্রতিবেদনের আলোকে এবং কাম্যপর্যায়ের পরীক্ষার্থী ও ফলাফল অর্জিত হলে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।


০৪    শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া  

   শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিত সময় অনুসারে    নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিষয়টি করণীয় পত্রের মাধ্যমে ডাকযোগে জানিয়ে দেয়া হয়। এর জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক/তাঁর প্রতিনিধিকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে হবে।


০৫    এডহক কমিটি  

   আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে    সভাপতির প্রতিস্বাক্ষরসহ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করবেন। ৬ (ছয়) মাসের জন্য ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।


০৬    ম্যানেজিং কমিটি  

  আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে    প্রিজাইডিং অফিসারের প্রতিস্বাক্ষরসহ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করবেন। ৩ (তিন) বছরের জন্য ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।

০৭    ছাড়পত্র  

  আবেদন প্রাপ্তির ১০ (দশ) দিনের মধ্যে    বোর্ডের নির্ধারিত ফরমে ২ (দুই) বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সুপারিশসহ আবেদন করতে হয়।  ডাকযোগে/ হাতে হাতে প্রেরণ করা হয়।
০৮    দ্বি-নকল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড    আবেদন প্রাপ্তির ৭ কর্মদিবসের মধ্যে    বোর্ডের নির্ধারিত ফরমে বিদ্যালয় প্রধানের সুপারিশসহ আবেদন করতে হয়।
    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।
 
০৯    স্বীকৃতি নবায়ন    

   সাধারনত: আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে    স্বীকৃতি নবায়ন ফি (৩,০০০/-) টাকা, হালসন পর্যন্ত খাজনা পরিশোধের রশিদ, সংরক্ষিত ও সাধারণ তহবিলের ব্যাংক সনদ, সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট এবং সর্বশেষ ৩ (তিন) বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে জেলা শিক্ষা অফিসারের পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।


১০    শাখা ও বিষয় খোলা    

    আবেদন প্রাপ্তির ৩ (তিন) মাসের মধ্যে    শিক্ষাবর্ষ শুরুর কমপক্ষে ৩ (তিন) মাস পূর্বে শাখা খোলার ফি ৫০০/- টাকা এবং বিষয় খোলার ফি ৩০০/- টাকা জমা দিয়ে বোর্ডে আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রামাণ্য কাগজপত্র পাওয়ার পর প্রস্তাবিত বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। সন্তোষজনক পরিদর্শন প্রতিবেদনের আলোকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। অতিরিক্ত শ্রেণী শাখার ক্ষেত্রে ২,০০০/- টাকা ফি জমা দিয়ে আবেদন করতে হয়। একজন উপযুক্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিদর্শন পূর্বক প্রতিবেদন মহা-পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা-এর বরাবর প্রেরণ করা হয়।    ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করা হয়।

 

•    বিদ্যালয় শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে সরাসরি বিদ্যালয় পরিদর্শক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনবোধে সচিব ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যাবে।
•    টেলিফোন নং ৮৬২৫৭৩০।

 

কম্পিউটার শাখা

১    নাম, পিতা/মাতার নাম ও বয়সের ডাটাবেজ সংশোধনঃ

    সংশোধিত নাম, পিতা/মাতার নাম ও বয়স ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় । নাম ও বয়স সংশোধন কমিটির কার্যবিবরণী পাওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধিত তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।


২    আর্কাইভঃ

   ১৯৯৫ সাল খেকে চলতি বছরের ছাত্র/ছাত্রীদের ফল যাচাইয়ের সুযোগ    বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে যে কোন সময় যাচাই করা যায়।


৩    একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির র‍্যাংকিং

    ২০১১ সাল হতে কলেজে ভর্তির জন্য এসএমএস এর মাধ্যমে প্রাপ্ত আবেদনের ভিত্তিতে এসএসসি পরীক্ষার ফলের উপর ছাত্র/ছাত্রীদের মেধাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করা হয় । এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করা হয়।

 

•    কম্পিউটার শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে সরাসরি সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনবোধে সচিব ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যাবে।
•    টেলিফোন নং ৮৬১০৩৪৭।

 

বৃত্তি শাখা

১    নাম সংশোধন( নিজ নাম,পিতার নাম,মাতার নাম)  
    বোর্ডের নিধারিত আবেদন ফরমে আবেদনকারীদের নাম, পিতার নাম ও মাতার নাম সংশোধনের জন্য বোর্ডের নির্ধারিত ফিস=৫০০/-টাকার ব্যাংক ড্রাফটসহ আবেদন গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি আবেদন পত্রের সাথে জমাকৃত কাগজপত্র  যেমন ভর্তি রেজিষ্টারের কপি, এস, এস, সি সনদ, পিতা-মাতার সনদ ইত্যাদি  পুংখানুপুংখরূপে যাচাই পূর্বক সংশ্লিষ্ট কমিটির সভার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ আবেদনকারীদের প্রদত্ত ঠিকানায় ১০/১২ দিনের মধ্যে চিঠি মারফত জানিয়ে দেয়া হয়।    নাম সংশোধন
কমিটিরসভা এক হতে দেড় মাস অন্তর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।  

২.    বয়স সংশোধন  
    বোর্ডের নিধারিত আবেদন ফরমে আবেদনকারীগণ তাদের বয়স সংশোধনের জন্য বোর্ডের নির্ধারিত ফিস=৫০০/-টাকার ব্যাংক ড্রাফট ও স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন ভর্তি রেজিষ্টার ইত্যাদি ডকুমেন্টসহ আবেদনপত্র  গ্রহণ করা হয়। বয়স সংশোধনের জন্য সকল আবেদনকারীকেই বয়স সংশোধন কমিটির সভায় সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়। কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ আবেদনকারীদের ঠিকানায় ১০/১২ দিনের মধ্যে চিঠি মারফত জানিয়ে দেয়া হয়।    অনুরূপভাবে বয়স সংশোধন
কমিটির সভাও এক হতে দেড় মাস দেড় মাস অন্তর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

৩.    বৃত্তি (মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক)
    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর হতে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে এস. এস. সি. ও এইচ. এস. সি. পরীক্ষার ফলাফলের উপর বৃত্তি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন পাওয়া যায়। প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষিতে বৃত্তির জন্য সারা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহে একমাসের সময় দিয়ে ভর্তি  বিবরনীছক প্রেরণ করা হয়। ইতোমধ্যে মাউশি কর্তৃক বরাদ্দকৃত বৃত্তি শিক্ষা বোর্ড কম্পিউটার সেন্টারে সংরক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতে বৃত্তি বন্টন নীতিমালা মোতাবেক মেধা, বোর্ড ট্যালেন্ট ও সাধারণ বৃত্তি, ছেলে, মেয়ে, গ্রুপ ভিত্তিক ও জেলা কোটা ইত্যাদি বিভাজন করে একটি প্রিন্ট কপি প্রস্ত্তত করা হয়। উক্ত প্রিন্ট কপি অনুযায়ী  প্রাপ্ত ভর্তি বিবরণী থেকে বৃত্তিধারী ছেলে-মেয়ের নাম, রোল নং এবং বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ পূর্বক বৃত্তি কার্যকরী করন সম্পর্কিত একটি বৃত্তি তালিকা বিজ্ঞপ্তি আকারে তৈরি করা হয়। উক্ত বিজ্ঞপ্তি সকল প্রতিষ্ঠানে মে-মাসের মধ্যে প্রেরণ করা হয়।    মে মাসের মধ্যে (এস. এস. সি. এর ক্ষেত্রে) জুলাই মাসের মধ্যে (এইচ. এস. সি. এর ক্ষেত্রে)   

 

৪.    অনুদান
    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের আবেদনের প্রেক্ষিতে যথাযথ বিবেচিত হলে খেলার মাঠ উন্নয়ন, খেলাধুলা সামগ্রী ক্রয়, লাইব্রেরীর বই ক্রয় ইত্যাদি খাতে বাজেট অনুযায়ী চেয়ারম্যান মহোদয়ের অনুমোদনক্রমে অনুদান প্রদান করা হয়।   

 

•    বৃত্তি শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে তা প্রথমত: উপ-সচিব (বৃত্তি) কে জানাতে হবে। পরবর্তীতে সচিব এবং প্রয়োজনবোধে চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যাবে।
•    টেলিফোন নং  ৮৬২৫৭২৮।

 

মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখা

 

১. পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রস্ত্তত, পত্রিকায় প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ।    ১৫ আগষ্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত    ডাকযোগ বিদ্যালয়ে প্রেরণ করা হয়।
আবেদন ফরম, তথ্য ও বিবরণী ফরম, সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা, ডি আর ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাগজপত্রাদি বিদ্যালয়সমূহে বিতরণ।    ০১ নভেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা তাঁর প্রতিনিধিকে অত্র দপ্তরে আসতে হয়
২. বিদ্যালয় সমূহ হতে পরীক্ষার্থীদের পূরণকৃত আবেদন ফরম, তথ্য ও বিবরণী ফরম গ্রহণ।   ১০ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত । সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা তাঁর প্রতিনিধিকে অত্র দপ্তরে আসতে হয়
৩. বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্র গ্রহণ, কেন্দ্রওয়ারী বন্টন, যাচাই ও  বিতরণ।    ০১ জানুয়ারী থেকে ২০ জানুয়ারী পর্যন্ত।    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা তাঁর প্রতিনিধির  বোর্ডে আসার প্রয়োজন নেই এবং সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা তাঁর প্রতিনিধিকে আসতে হয়।
৪. পরীক্ষার্থীদের ডেস্ক্রিপ্টিভ রোলশীট, প্রবেশ পত্র প্রস্ত্ততকরণ ও বিদ্যালয় সমূহে প্রেরণ।    ১৬ জানুয়ারী থেকে ২৫ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিব তাঁর প্রতিনিধিকে অত্র দপ্তরে আসতে হয়।
৫. পরীক্ষার সময়সূচী, পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় পোষ্টার আনুষাঙ্গিক কাগজপত্রাদি প্রস্ত্ততকরণ ও কেন্দ্র সমূহে প্রেরণ।    ২০ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারী পর্যন্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা তাঁর প্রতিনিধির  বোর্ডে আসার প্রয়োজন নেই এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিব তাঁর প্রতিনিধিকে অত্র দপ্তরে আসতে হয়
৬. ব্যবহারিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, নম্বরফর্দ, স্বাক্ষরলিপি, শিরোনাম পত্র ও পরীক্ষায় ব্যবহৃত ও উদ্বৃত্ত মালামাল গ্রহণ।    ১০ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিব তাঁর প্রতিনিধিকে অত্র দপ্তরে আসতে হয় এবং  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা তাঁর প্রতিনিধির  বোর্ডে আসার প্রয়োজন নেই
৭. উত্তরপত্র পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের মধ্যে বিতরণ।   ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত । সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকগণকে আসতে হয়।
৮. টেবুলেশন শীট প্রস্ত্ততকরণ ও বিদ্যালয় সমূহে বিতরণ। ০৯ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত । সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা তাঁর প্রতিনিধিকে অত্র দপ্তরে আসতে হয়
৯. উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের একাডেমীক ট্রান্সক্রিপ্ট প্রস্ত্তত করণ, স্বাক্ষর করণ ও বিদ্যালয় সমূহে বিতরণ। ২০ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা তাঁর প্রতিনিধির  বোর্ডে আসার প্রয়োজন নেই এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা তাঁর প্রতিনিধিকে অত্র দপ্তরে আসতে হয়
১০. বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের কারন দর্শনোর নোটিশ প্রেরণ, শাস্তির গ্রেডিং নির্ধারণ ও স্থগিত ফলাফল প্রকাশ। ২৫ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ।  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা তাঁর প্রতিনিধির  বোর্ডে আসার প্রয়োজন নেই।
১১. উত্তর পত্র পুনঃ নিরীক্ষণের নিমিত্তে প্রধান পরীক্ষকদের নিকট হতে উত্তরপত্র আনায়ন, উত্তরপত্র নিরীক্ষন করানো ও নিরীক্ষান্তে আবেদনকৃত পরীক্ষার্থীদের ফলফল প্রকাশ ও আবেদনকারীদের পত্রের মাধ্যমে ফলাফল জানানো।    ০৯ জুলাই থেকে ৩০ আগষ্ট পর্যন্ত । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা তাঁর প্রতিনিধির  বোর্ডে আসার প্রয়োজন নেই এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান পরীক্ষক ও নিরীক্ষকদের অত্র দপ্তরে আসতে হয়
১২. পুনঃ নিরীক্ষণের পর পরিবর্তিত/অপরিবর্তিত পরীক্ষার্থীদের  ফলাফল এবং পরিবর্তিতদের টেবুলেশন ও একাডেমীক ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি ও বিতরণ।    ০১ সেপ্টেম্বর থেকে ০৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ডাকযোগে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অত্র দপ্তরে আসতে হয়।

 

উপরোক্ত কার্যক্রম ব্যতিত অন্যান্য সম্পাদিত কাজের জন্য অভিভাবক/ছাত্র-ছাত্রীদের অত্র শিক্ষা বোর্ডে আসতে হয় না। কাজ সম্পাদনের শেষে ডাকযোগে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান সহকারী-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অথবা উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর যোগাযোগ করে থাকেন।

•    এ শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে সরাসরি উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনবোধে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সচিব ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যাবে।
•    টেলিফোন নং  ৮৬২৫৭৩২, ৯৬৬৯৮১৫।

 

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখা

 

১. প্রাইভেট পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নির্দ্ধারিত কলেজের মাধ্যমে আর.আই.এফ বিতরণ।
২. এইচ.এস.সি এবং ডি.আই.বি.এস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ছাত্র/ছাত্রীদের নিকট কলেজের মাধ্যমে আবেদন ফরম বিতরণ।
৩. পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস, পরীক্ষার সময়সূচি প্রস্ত্তত করণ, পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা ও আনুষাঙ্গিক কাগজপত্র কেন্দ্রসমূহে প্রেরণ।
৪. আবেদন ফরম অনুযায়ী প্রবেশপত্র ও রোল সীট মূদ্রণ এবং কলেজে বিতরণ।
৫. এইচ.এস.সি এবং ডি.আই.বি.এস পরীক্ষার গোপনীয় কাগজপত্র ট্রাংকজাত করণের জন্য বিজি প্রেসের গমন, বিজি প্রেস হতে গোপনীয় কাগজপত্র গ্রহণ এবং ট্রাংকজাত করে বিদেশ কেন্দ্র সহ জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধির নিকট প্রেরণ।
৬. সুষ্ঠুভাবে ও নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে অত্র শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও কলেজের শিক্ষকগণের সমন্বয়ে পরিদর্শন টিম গঠন করে কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়।
৭. সঠিকভাবে উত্তরপত্র মূৃল্যায়নের জন্য প্রধান পরীক্ষক/পরীক্ষকদের সভা আহবান করে, উত্তরপত্র বিতরণ।
৮. উত্তরপত্র পুন:নিরীক্ষনের জন্য আবেদন বিতরণ ও গ্রহণ।
৯. টেবুলেশন সীট ও ট্রান্সক্রীপ্ট বিতরণ এবং স্থগিত ফলাফল প্রকাশ।
১০. বহিস্কৃত পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে শৃংখলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন।

 

উপরোক্ত কার্যক্রমের জন্য কোন অভিভাবক/ছাত্র-ছাত্রীকে অত্র শিক্ষা বোর্ডে না এসে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষের সংগে অথবা প্রয়োজন হলে পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শাখার উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সংগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

•    এ শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে সরাসরি উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনবোধে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সচিব ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যাবে।
•    টেলিফোন নং  ৮৬২৫৭৪৭, ৯৬৬৯৮১৫।

 

হিসাব বিভাগ

১৯২১ইং সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের হিসাব বিভাগ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। হিসাব বিভাগে চারটি শাখা রয়েছে। যথাঃ- ১. হিসাব আয়, ২. হিসাব ব্যয়, ৩. হিসাব বিল এবং ৪. হিসাব অডিট শাখা।
১. হিসাব আয় শাখার  প্রদত্ত সেবা সমূহঃ-
ক) হিসাব আয় শাখা ঢাকা মহানগরীসহ ১৮টি জেলায় বোর্ডের আওতাধীন স্কুল/কলেজের নবম ও একাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের রেজিষ্টেশন ফি, এস,এস,সি ও এইচ,এস,সি পরীক্ষার ফিস সহ নম্বর পত্র ও সনদ পত্র ফিস, জরুরী সনদ ফিস স্কুল ও কলেজের স্বীকৃতি ও নবায়ন ফিস সহ যাবতীয় ফিস শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিদ্যালয় শাখা, কলেজ শাখা ও পরীক্ষা শাখার নির্ধারীত তারিখে অফিস সময়ে  গ্রহণ করে থাকে।
খ) গ্রহণকৃত ফিসের ডকুমেন্টগুলো ৭২ ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শাখায় পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হয়।
গ) গৃহীত ব্যাংক ড্রাফট গুলো যাচাইপূর্বক কম্পিউটারে ও রেজিষ্ট্রারে এন্ট্রি করে বোর্ডের চলতি হিসাবে জমা করণের জন্য বোর্ড ক্যাম্পাসে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকে প্রেরণ করা হয় এবং রেকর্ড সংরক্ষণের জন্য সাবসিডিয়ারী ক্যাশ বুকে যাবতীয় আয় হিসাব ভূক্ত করা হয়।


২. হিসাব ব্যয় শাখার  সেবা সমূহঃ-
ক) হিসাব ব্যয় শাখা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশে অনুমদিত বাজেট মোতাকে যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করে থাকে।
খ) প্রশ্ন প্রণেতা, পরিশোধক, পরীক্ষক, প্রধান পরীক্ষক, নিরীক্ষক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার পরীক্ষকবৃন্দের পারিশ্রমিক বিল পরীক্ষা ও বিল শাখা থেকে অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী পাশকৃত বিলের চেক লিখন, যাচাই, বোর্ডের আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তাবৃন্দ কর্তৃক যথারীতি স্বাক্ষরের পর খাম ফরোয়ার্ডিং সহ ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দের নিকট ডাকযোগে প্রেরণ করা হয়ে থাকে।
 গ) বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদার ও সরবরাহকারী সংস্থার বিল পাশ হয়ে আসার পর যথারীতি ভ্যাট ও আয়কর কর্তন ও বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা ও সি,টি,আর করণসহ ২১ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে চেক প্রদান করা হয়।
ঘ) বোর্ডের বাৎসরিক বাজেট প্রনয়ণ, ক্যাশবই সহ যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ, কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও সম্মানী প্রদান, অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পেনশন- গ্রাচুইটির টাকা পরিশোধ, বয়স্কাউট, গার্লস গাইড ও ক্রীড়া  প্রতিষ্ঠানের আদায়কৃত ফিস পরিশোধ করা হয়।

৩. হিসাব অডিট শাখার  সেবা সমূহঃ-

  বোর্ডের পূঞ্জিভূত অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অডিট অধিদপ্তরের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষাকরে অনিষ্পন্ন অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি ব্যবস্থা করে থাকে। বোর্ডের  আভ্যমত্মরীন ও বহিরাগত সেবা প্রদান কারী প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় বিল পরিশোধের পূর্বে যাচাই ও নিরীক্ষা করে থাকে।

 

•    এ শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে প্রথমত: উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরিক্ষা) কে জানাতে হবে। পরবর্তীতে সচিবকে এবং প্রয়োজনবোধে চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।
•    টেলিফোন নং  ৮৬২৫৭৩৯, ৯৬৬৯৮১৩।

 

সনদপত্র শাখা

 

০১    এস,এস,সি ও এইচ,এস,সি-র মূল সনদঃ

   ফল প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে  মূল সনদ মূদ্রন স্বাক্ষর ও প্রতিষ্ঠান ওয়ারী পৃথকীকরণ ও সরবরাহ করা হয়।    প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি সরবরাহ করা হয়।
০২    সকল প্রকার বাংলায় সরবরাহকৃত সনদ, নম্বর পত্র ও প্রবেশ পত্র ইংলিশ ভারশন।    ০৩(তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে সরবরাহ করন।    ১৯৯৫ সালের পূর্বের বাংলায় সরবরাহকৃত সকল প্রকার সনদ, নম্বর পত্র ও প্রবেশ পত্র টেবুলেশন বই যাচাই করে ইংলিশ ভারশনে সরবরাহ করা হয়।    হাতে হাতে প্রদান করা হয়।
০৩    দ্বি/ ত্রি/চৌ-নকল সনদ, নম্বর পত্র ও প্রবেশ পত্র সরবরহ করন।  টেবুলেশন বই যাচাই করে হাতে হাতে সরবরাহ করা হয়। 
০৪    নাম/ বয়স সংশোধন তাৎক্ষনিক ভাবে  নাম সংশোধন (নাম, পিতার নাম ও মাতার নাম) এবং বয়স সংশোধন কমিটির সিদ্বান্ত মোতাবেক সকল প্রকার সনদ, নম্বর পত্র, প্রবেশ পত্র ও টেবুলেশন বই সংশোধন করা হয়।    তাৎক্ষনিক ভাবে হাতে হাতে দেয়া হয়।
০৫    সাময়িক সনদ সরবরাহ  ০৩(তিন) কর্ম দিবস  মূল সনদ সরবরাহের পূর্বে উত্তীর্ন ছাত্র/ছাত্রীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাময়িক সনদ সরবরাহ করা হয়।    হাতে হাতে প্রদান করা হয়।
০৬    বিশেষ প্রাইভেট রেজিষ্ট্রেশন প্রদানঃ 

  আবেনপত্র জমার উপর    ১৯৭২-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ন ছাত্র-ছাত্রী যাদের রেজিষ্ট্রেশন হয়নি তাদের মূল সনদ সরবরাহের স্বার্থে কাগজ পত্র যাচাই বাছাই ও কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে বিশেষ প্রাইভেট রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া হয়।    হাতে হাতে প্রদান করা হয়।
০৭    সনদ ও নম্বর পত্র যাচাই করনঃ

    বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও অধ্যয়নরত ব্যক্তিবর্গের সনদ ও নম্বর পত্র যাচাই করে অবহিত করা হয়।    ০৩-০৫ কর্ম দিবসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা হয়।

 

•    এ শাখা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ থাকলে/সমস্যা দেখা দিলে প্রথমত: উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (সনদ) কে জানাতে হবে। পরবর্তীতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং প্রয়োজনবোধে সচিব ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অভিযোগ জানানো যাবে।
•    টেলিফোন নং  ৮৬২৫৭৪৬, ৯৬৬৯৮১৫।

 

* সর্বসাধারণের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশে কোন অবস্থাতেই কোন শাখায় কোন কর্মকর্তা/কর্মচারীর নিকট তিন দিনের বেশী নথি থাকতে পারবে না।

** সেবা গ্রহীতাগণের নিকট বোর্ডের প্রত্যাশাঃ
    
    ১।    সিটিজেন’স চার্টার অনুযায়ী পদ্ধতিগতভাবে বোর্ডের সকল কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখা।
    ২।    সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট অভিযোগসমূহ যথাস্থানে যথাসময়ে উপস্থাপন করা।
    ৩।    বোর্ডে নগদ অর্থে লেনদেন হয়না বিধায় এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা।



সচিব
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড
ঢাকা।